Jakaria Manik

Journalist | Writer | Poet

Jakaria Manik

"Humanity can transform this world into heaven — if it chooses to."

Translate posts to your language:

বৃদ্ধাশ্রম কেন নিরাপদ


বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমছে, কিন্তু গড় আয়ু বাড়ছে। জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়াবে। বাংলাদেশেও এই প্রবণতা স্পষ্ট। কিন্তু বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার জন্য পারিবারিক কাঠামো যখন ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে, তখন বৃদ্ধাশ্রম একটি বাস্তব ও যুক্তিযুক্ত বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে সমাজে নানা ধরনের ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন এটি ‘পরিত্যক্ত’ বৃদ্ধদের ঠাঁই। কিন্তু আধুনিক বৃদ্ধাশ্রম আর সেই পুরনো চিত্র এক নয়। আজকের বৃদ্ধাশ্রম হলো- একটি পেশাদারি, নিয়ন্ত্রিত ও মানবিক পরিবেশ। যেখানে স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও দর্শনের সমন্বয়ে বয়োবৃদ্ধদের জীবন নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ করে তোলা হয়।

২৪ ঘণ্টা পরিচর্যা:
বয়স্কদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হতে পারে। (Harvard Health) হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং- এর তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে সার্বক্ষণিক নিবন্ধিত নার্স উপস্থিত থাকেন, যারা দক্ষ নার্সিং সেবা প্রদান করেন। এটি বাড়িতে থাকা অবস্থায় প্রায়শই সম্ভব হয় না, বিশেষ করে যখন পরিবারের সদস্যরা কর্মজীবী হন।

ঔষধ পরিচালনার নিরাপত্তা:
যুক্তরাষ্ট্রের বৈজ্ঞানিক সংস্থা ‘জাতীয় বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি’র এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বৃদ্ধাশ্রমের ৯১% বাসিন্দা প্রতিদিন ৫টির বেশি ওষুধ গ্রহণ করেন এবং ৬৫% বাসিন্দা ১০টির বেশি ওষুধ নেন। এত ওষুধ একসাথে নেওয়াকে "পলিফার্মেসি" বলা হয়, যা ঘরে বসে ব্যবস্থাপনা করা অত্যন্ত জটিল। বৃদ্ধাশ্রমে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট প্রতি মাসে প্রত্যেক বাসিন্দার ওষুধের তালিকা পর্যালোচনা করেন, যা ওষুধের ভুল (medication error) কমাতে সাহায্য করে। উৎস: NCBI (National Center for Biotechnology Information), যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাতীয় জীবপ্রযুক্তি তথ্যকেন্দ্র।

পতন প্রতিরোধ ও শারীরিক নিরাপত্তা:
বয়স্কদের জন্য পতন (falls) একটি প্রধান ঝুঁকি। বৃদ্ধাশ্রমগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়- যাতে করিডোরে হ্যান্ডরেল থাকে, মেঝে অস্করোধক (non-slip) হয় এবং বাথরুমগুলো সহজ প্রবেশযোগ্য হয়। এছাড়া, ফিজিওথেরাপিস্ট ও অকুপেশনাল থেরাপিস্ট নিয়মিত শরীরচর্চা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি পরিচালনা করেন।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ:
কোভিড-১৯ মহামারীর পর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্না, হ্যান্ড হাইজিন প্রোটোকল এবং টিকা কর্মসূচি (ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোকোকাল) পরিচালিত হয়, যা ব্যক্তিগত বাসস্থানে অনেক ক্ষেত্রেই অনুপস্থিত।

গেরোন্টোলজি:
গেরোন্টোলজি (Gerontology) হলো বয়স্কদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক পরিবর্তন নিয়ে অধ্যয়নরত বিজ্ঞান। আধুনিক বৃদ্ধাশ্রম এই বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, বয়স্কদের জন্য আলোর তীব্রতা, শব্দের মাত্রা, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নির্দিষ্ট মানে রাখা হয়। কারণ তাদের ত্বক, চোখ ও শ্রবণশক্তি পরিবর্তিত হয়।

বয়স-বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা:
আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন সংস্থা (Institute for Healthcare Improvement) এর ‘Age-Friendly Health Systems’ কাঠামোতে চারটি মূল বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয় যা‘৪এম’ নামে পরিচিত।
1. What Matters (কী গুরুত্বপূর্ণ): প্রত্যেক বয়স্ক ব্যক্তির জীবনে কী গুরুত্বপূর্ণ তা জেনে সেই অনুযায়ী যত্ন পরিকল্পনা করা।
2. Medication (ওষুধ): অপ্রয়োজনীয় ওষুধ বন্ধ করা (deprescribing) এবং শুধু প্রয়োজনীয় ওষুধ ব্যবহার করা।
3. Mentation (মানসিক স্বাস্থ্য): ডিমেনশিয়া ও বিষণ্ণতা সনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা।
4. Mobility (চলাফেরা): নিরাপদে চলাফেরার সক্ষমতা বজায় রাখা।

ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড ও সিদ্ধান্ত:
আধুনিক বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে ইলেকট্রনিক মেডিকেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রেকর্ড (eMAR) ব্যবহার করা হয়। যা ওষুধ দেওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডকুমেন্ট করে। এটি মানবিক ত্রুটি কমায় এবং ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সতর্কতা প্রদান করে।

গবেষণা ভিত্তিক পুষ্টি ও ব্যায়াম:
বয়স্কদের পেশীভর (muscle mass) হ্রাস পায়— একে সারকোপেনিয়া বলে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী, নিয়মিত প্রতিরোধ ব্যায়াম (resistance exercise) ও প্রোটিনযুক্ত খাবার এই প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। বৃদ্ধাশ্রমে নিউট্রিশনিস্ট ও ফিজিওথেরাপিস্টের উপস্থিতি এই বিজ্ঞানকে কার্যকরী করে।

মর্যাদা ও যত্নের নীতি:
মনোবিজ্ঞানী আব্রাহাম মাসলোর ‘চাহিদার স্তর’ তত্ত্ব অনুযায়ী, মানুষের দ্বিতীয় স্তরের চাহিদা হলো নিরাপত্তা ও নিরাপদ আশ্রয়। এই তত্ত্বের আলোকে বৃদ্ধাশ্রমের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বৃদ্ধাশ্রম শুধু শারীরিক নিরাপত্তা দেয় না, মানসিক ও সামাজিক নিরাপত্তাও প্রদান করে।

সমন্বয়:
একটি সাধারণ দার্শনিক দ্বন্দ্ব হলো— বয়স্কদর কতটুকু স্বাধীনতা দেওয়া হবে এবং কতটুকু নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। দার্শনিকদের মতে, বৃদ্ধাশ্রমের উচিত ‘সম্পর্ক-ভিত্তিক স্বায়ত্তশাসন’ (relational autonomy) প্রচলন করা। অর্থাৎ, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বয়স্কদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, কিন্তু পেশাদারদের পরামর্শক হিসেবে রাখা।

যত্ন:
দার্শনিক ভার্জিনিয়া হেল্ড ও জোয়ান ট্রন্টোর ‘Ethics of Care’ তত্ত্ব অনুযায়ী, যত্ন একটি নৈতিক দায়িত্ব। যা শুধু কাজ নয়, সম্মানও বটে। বৃদ্ধাশ্রমে পেশাদার যত্নকর্তারা এই নৈতিক দায়িত্ব পালন করেন— যা শুধু শারীরিক সেবা নয়, মানবিক সংযোগও স্থাপন করেন।
একাকীত্ব দূরীকরণ:

দর্শন ও মনোবিজ্ঞান উভয়েই স্বীকার করে যে- মানুষ সামাজিক প্রাণী। বয়স্কদের একাকীত্ব মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে— এটি ধূমপান, স্থূলতা ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার সমতুল্য। বৃদ্ধাশ্রমে সামাজিক অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও সহবসিনীদের সাথে মেলামেশার সুযোগ এই একাকীত্ব কমায়।
মৃত্যুঞ্জয়ী দর্শন ও শেষ জীবনের যত্ন:

প্রাচীন ভারতীয় দর্শনে ‘বানপ্রস্ত’ ও ‘সন্ন্যাস’ আশ্রমের ধারণা রয়েছে।  যেখানে বয়স্কদের শান্তি ও তপস্যার জন্য আলাদা পরিবেশ দেওয়া হতো। আধুনিক বৃদ্ধাশ্রমে হসপিস সেবা (end-of-life care) এই দার্শনিক ধারণারই বৈজ্ঞানিক রূপ। যেখানে শেষ দিনগুলো ব্যাথাহীন, মর্যাদাপূর্ণ ও শান্তিময় হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৫,০০০-এর বেশি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে। Medicare ও Medicaid প্রোগ্রামের মাধ্যমে ফেডারেল সরকার এগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ করে। Nursing Home Compare ওয়েবসাইটে প্রতিটি বৃদ্ধাশ্রমকে ৫ তারকা স্কেলে রেটিং দেওয়া হয়। বাংলাদেশে জনসংখ্যার প্রায় ১০শতাংশ বৃদ্ধ রয়েছেন এবং বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে প্রায় সাড়ে ৬শ’। ভারতে প্রাং ১৭ কোটি লোক বৃদ্ধ এবং বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার। বাংলাদেশে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা জনসংখ্যার তুলনায় অপ্রতুল। ভারতে যদিও সংখ্যাটি বেশি, কিন্তু ১৭ কোটির বেশি বয়স্ক মানুষের জন্য এটি যথেষ্ট নয়। উভয় দেশেই বৃদ্ধাশ্রমের মান, নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশগম্যতা নিয়েও চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং উন্নয়নে সরকারের তেমন কোন উদ্যোগ নেই।

ওষুধ নিরাপত্তায় উন্নতি: গবেষণায় দেখা গেছে, বৃদ্ধাশ্রমে ফার্মাসিস্টের হস্তক্ষেপের ফলে অনুপযুক্ত ওষুধের ব্যবহার কমে যায় এবং বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যের ফলাফল উন্নত হয়। ‘Deprescribing’ পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

ডিমেনশিয়া যত্নে অগ্রগতি: যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ফেডারেল সংস্থা Centers for Medicare & Medicaid Services এর ‘National Partnership to Improve Dementia Care’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে ডিমেনশিয়া রোগীদের উপর অ্যান্টিপসাইকোটিক ওষুধের অপব্যবহার কমানো হয়েছে। এর পরিবর্তে নন-ফার্মাকোলজিকাল পদ্ধতি যেমন- সঙ্গীত থেরাপি, স্মৃতিচারণ (reminiscence therapy) ও স্পর্শ যত্ন প্রচলিত হচ্ছে।

বৃদ্ধাশ্রম কি সত্যিই নিরাপদ?
সরকারের নিয়ন্ত্রণের অভাবের বৃদ্ধাশ্রমে অবহেলার ঘটনা ঘটে। কিন্তু এটি বৃদ্ধাশ্রম ধারণার দোষ নয়। যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা— যেমন ‘ফডারেল ইনস্পেকশন’, ‘ওমবাডসম্যান প্রোগ্রাম’ ও ‘ডিজিটাল মনিটরিং’ এই সমস্যা সমাধান করছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভালো বৃদ্ধাশ্রম বেছে নেওয়া। যা লাইসেন্সপ্রাপ্ত, স্বচ্ছ এবং পেশাদারি মানদণ্ড মেনে চলে।

বাড়িতে থাকাই ভালো?
বাড়িতে থাকা মানসিকভাবে স্বাভাবিক মনে হলেও, গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা, একাকীত্ব ও যত্নের অভাব বাড়িতেও বিপজ্জনক হতে পারে। প্রশ্ন হলো ‘বাড়ি না বৃদ্ধাশ্রম? কোথায় বয়স্ক ব্যক্তিটি সবচেয়ে নিরাপদ ও সুখী থাকবেন? বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিটি পরিবারে থাকার ফলে কোন একজন সদস্যর বিরক্তির কারন হতে পারেন। এতে করে পরিবারের সদস্যদের মাঝে একে অপরকে নিয়ে তিক্ততার সৃষ্টি হতে পারে। জীবনের শেষ সময়ে বৃদ্ধ ব্যক্তিটি যদি দেখতে পান পরিবারে তিনি অবহেলার শিকার, অপ্রয়োজনীয় ও একজন অতিরিক্ত সদস্য; তখন তিনি হতাশা ও চরম দু:খের মাঝেই দিনাতিপাত করবেন এবং জীবন-সংসার-সন্তান তথা মানবজীবনকে নিরর্থক মনে করবেন।

পরিবারের ভূমিকা কি শেষ?
না, পরিবারের ভূমিকা শেষ নয় । বৃদ্ধাশ্রম পরিবারকে প্রতিস্থাপন করে না বরং সম্পূরক করে। পরিবার সদস্যরা নিয়মিত দেখা করতে পারেন, যত্নকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন এবং বয়স্ক ব্যক্তির মানসিক সমর্থন দিতে পারেন। বৃদ্ধাশ্রম শারীরিক যত্ন দেয়, পরিবার ভালোবাসা দেয়। উভয়ের সমন্বয়েই পূর্ণতা আসে। পরিবারের সু:খ ও শান্তির কথা বিবেচনায় বৃদ্ধদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম হতে পারে উত্তম আশ্রয়স্থল। যদিও আবেগের কারনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে আশ্রয়স্থল হিসেবে বৃদ্ধাশ্রমকে অস্বাভাবিক মনে করেন এবং নেতিবাচকভাবে এটিকে উপস্থাপন করে থাকেন। 

নিরাপত্তার ত্রিমুখী স্তম্ভ:
বয়স্ক লোকদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম নিরাপদ এই কারণে যে- 
স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা: ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা, ওষুধ ব্যবস্থাপনা, পতন প্রতিরোধ ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞানের নিরাপত্তা: প্রমাণভিত্তিক যত্ন, প্রযুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়।
দর্শনের নিরাপত্তা: মর্যাদা, স্বায়ত্তশাসন, সামাজিক সংযোগ ও শেষ জীবনের শান্তির মাধ্যমে মানবিক নিরাপত্তা প্রদান করা হয়।

বৃদ্ধাশ্রম কোনো ‘পরিত্যক্তদের ঠাঁই’ নয়। এটি একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান। যেখানে বয়স্কদের জীবনের শেষ পর্যায়টুকু নিরাপদ, সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ হয়। সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের সময় এসেছে। বৃদ্ধাশ্রমকে আমাদের দেখতে হবে একটি ‘জীবনমান উন্নয়ন কেন্দ্র’ হিসেবে। যেখানে স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও দর্শন একত্রিত হয়ে মানবিকতার সেবা করে।

লেখক: জাকারিয়া মানিক

Comments